Monday, 9 May 2022

"রিয়া" তথা লোক দেখানো ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না!


 ১) নামায শেষ করে উঠে যাওয়ার সময় জানতে পারলাম মেহমান চলে এসেছে। এজন্য মেহমান ঘরে প্রবেশ করা পর্যন্ত জায়নামাজে বসে থাকলাম। সম্পুর্ন ইচ্ছাকৃত না হলেও অবচেতন মন চাইছে নামায যে পড়তেছি মেহমান দেখুক! এটি ই রিয়া।


২) কেউ জিজ্ঞেস করলো-আপনি কি করছেন?
উত্তরে বললাম-আমি নামায পড়ে উঠে নাস্তা করতেছি বা নামায পড়ে উঠে এখন রান্না করতেছি।এখানে শুধু নাস্তা বা রান্না করার কথা বললেই হতো, সাথে -নামায পড়ে উঠে" কথাটি জুড়ে দিয়ে অতি সুক্ষভাবে নামাযকে প্রচারে নিয়ে আসা হল। এটি ই রিয়া।

৩) ফজরে যে নামায পড়তে উঠলাম কিন্তু কেউ জানলো না, তাই সেটা মানুষকে জানানোর জন্য দিলাম ফেসবুকে একটা পোস্ট, লিখলাম : "সবাই নামায পড়তে উঠুন/ঐ সময় ই ফজর নামাজের ফযীলত সম্পর্কিত/শাস্তি নিয়ে পোস্ট করলাম।" আমি জানি আমার এই পোস্টে কারো ঘুম ভাংগবেনা,তাও দিলাম। মোদ্দাকথা নামাযের ব্যাপারটা সবাইকে জানাতেই হবে। এটি ই রিয়া।

৪) নফল রোজা রেখে দুপুরে বন্ধুর সাথে চ্যাট করছি, হঠাৎ তাকে জিজ্ঞেস করেছি,ভাত খেয়েছিস কিনা?অথচ আজীবন তার ভাতের খবর নেয়নি,সে হ্যাঁ/না উত্তরের সাথে যে "তুই খেয়েছিস?"এটা জিজ্ঞেস করবে সেটার গ্যারান্টি সূর্য উঠার মতই,সে সুযোগে না দোস্ত রোজা রেখেছি বলে রোজার প্রচার করে দিলাম, এটি ই রিয়া।

৫) কুরবানির গরু কিনলাম, অফলাইনের আশেপাশের সবাই দেখলেও অনলাইন বন্ধুদের সামনে তো আর শো আপ করা হলো না।তাই প্রাইভেসি পাবলিক করে দিয়ে দিলাম পোস্ট, আলহামদুলিল্লাহ্‌ Done এইটি রিয়া।

৬) বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় মজার ছলেই টেকনিকে বলে দিলাম, তুই বেটা কিপটা, কিছুই দান করিস না। প্রতিউত্তরে, "তুই কি দান করে উল্টিয়ে ফেলছিস? এই প্রশ্নটা যে করবে তা জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারি আসার মতই নিশ্চিত আমি, সাথে সাথেই দিয়ে দিলাম আমার দানের লিস্ট, সম্পূর্ণ ডিটেল সহকারে। এইটি রিয়া।

উপরের প্রত্যেক উদ্দীপক পড়ে কিছু আয়ত্ত করতে পারলেন কি? একেই বলে রিয়া। এতক্ষণ যে ইবাদত গুলো করলাম সেগুলা কি আল্লাহর জন্য, নাকি লোক দেখানো? লোক দেখানো মানেই রিয়া।

কখনো ভেবেছেন, এসব ইবাদত আদৌ কবুল হবে কি? উপরোক্ত প্রত্যেকটি ইবাদতই হলো "রিয়া"

আল্লাহ আমাদের রিয়ামুক্ত ইবাদতের তৌফিক দান করুক। আল্লাহুম্মা আমিন।❤️
@এস.এ মাসুম

Monday, 11 October 2021

মধ্যবিত্তদের এখন সংসার চালানোই দায়!


 সয়াবিন তেল - ৭২৮ টাকা ( ৫ লিটার ) 

ব্রয়লার সোনালী মুরগি - ৩০০ টাকা (কেজি)

গরুর মাংশ - ৬০০ টাকা (কেজি)

ডিম - ১১০-১১৫ টাকা ( ডজন ) 

কাচকি মাছ - ৪৫০-৫০০ টাকা ( কেজি) 

রুই - ২৮০-৩০০/৩২০ টাকা ( কেজি, মিডিয়াম সাইজ ) 


পেয়াজ- ৬৮-৭০ টাকা কেজি 

টমেটো -১৫০ টাকা কেজি

পেঁপে - ৩০ টাকা কেজি 

ডেরশ - ৬০-৭০ টাকা কেজি 

শিম - ১৩০ টাকা কেজি

পটল - ৬০ টাকা কেজি 

বেগুন, সবুজ - ৭০ টাকা কেজি 

চিচিঙ্গা - ৬০ টাকা কেজি 

ঝিঙা - ৬৫-৭০ টাকা কেজি 

কাঁচা মরিচ - ২২০ টাকা কেজি 


মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ গুলো কিভাবে সংসার চালায় জানেন?  😪😪 উপার্জনের থেকে ব্যয় বেশি এখন। শখ পূরণ তো দূরের বিষয় 😪😪


#মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে যদি একটু নজর দিতেন । 😪😪


©এস.এ মাসুম

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা নিছক বিধানের উপর নির্ভর করে না !


অনেক সময় স্বামী-স্ত্রী পরস্পর ঝগড়া করার সময় একজন অপরজনকে নিজের অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আর বলে “আপনি আগে আমার অধিকার গুলো আদায় করুন! তুমি আগে নিজের দায়িত্ব পালন করো।“

.
এইক্ষেত্রে আমরা বলব, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা নিছক বিধানের উপর নির্ভর করে না। এই সম্পর্কের ভিত্তি হল প্রেম-ভালোবাসা। প্রত্যেকেই একে অপরের দায়িত্ব পালনে সচেষ্টা থাকবে এবং নির্ধারিত দায়িত্ব থেকেও অধিক করার মানসিকতা রাখবে। কখনো কখনো উভয়েই সেক্রিফাইস করবে।
.
পরিবার কোন শরীকানা প্রতিষ্টান না যে এখানে প্রতিপক্ষ স্বরূপ দুই শরীক একে অপরের কাছ থেকে কড়া-গন্ডায় হিসেব নিবে। পরিবারে কোনভাবে বিতর্ক দেখা দিলে উভয়েই আল্লাহ প্রদত্ত ভালবাসা ও মুহাব্বতের কাছে আশ্রয় নিবে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলছেন, আর তার নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হল, তিনি তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের জন্য সংগিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের মাঝে পরস্পারিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করে দিয়েছেন।
.

যখন পরিবারে ‘আমার অধিকার’, ‘তোমার দায়িত্ব’ - এই শব্দগুলোই প্রতিধ্বনিত হতে থাকে, তখন বুঝতে হবে এই পরিবার সেই পবিত্র ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি যার উপর একে প্রতিষ্ঠা করা দরকার ছিল। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানির ভিত্তি থাকে ন্যায়ের উপর। কিন্তু পরিবারের ভিত্তি থাকে আরো উর্ধ্বে, একে অপরকে প্রাধান্য দান এবং আত্মত্যাগের উপর। প্রেম ও ভালবাসার উপর।

©এস.এ মাসুম

Thursday, 2 July 2020

সিজারে পুরুষ কেন???


বাংলাদেশে কি নারী ডাক্তারের এতোটাই অভাব?আপনারা যারা বিয়ে করেছেন, ছেলে মেয়ের বাবা হবেন তারা কান খাড়া করে শুনুন।

আপনার স্ত্রীকে ডেলিভারির নামে কিসের সিজার করাচ্ছেন,,যে সিজার পুরুষ ডাক্তার দিয়ে করানো হয়।

মনে রাখবেন, আপনার স্ত্রীর গোপণ অঙ্গ আপনি ব্যতীত কোনো পুরুষের দেখার অধিকার নেই।
যদি এমনটা হয়,তাহলে কাল কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর নিকট এর জবাবদিহিতা আপনাকেই করতে হবে

এই লজ্জাটা কার?লজ্জাটা আপনার।
এই লজ্জাটা গোটা মানবজাতির।

আসুন নিয়ম বদলাই।

অন্যান্য দেশ গুলোতে স্ত্রীর ডেলিভারির সময় স্বামীকে পাশে রাখা হয়।এতে স্ত্রীর মন অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী হয় ওঠে।আর স্ত্রীরা ভাবে নতুন কোনো মানুষকে পৃথিবীতে আনতে হয়তো আমার মৃত্যুও হতে পারে,কিন্তু আমার সৌভাগ্য যে,আমার এই জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আমার স্বামী আমার পাশে আছে,আপাতত আমি তার চেহারার দিকে তাকিয়ে সব যন্ত্রণা হাসিমুখে মেনে নিতে পারবো।

কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে আঁতুরঘর তো দুরের কথা হসপিটাল এর অপারেশন রুমের আশেপাশেও স্বামীকে রাখা হয় না।
কিছু কিছু ডাক্তারের আত্মসম্মানে লাগে স্বামী পাশে থাকতে চাইলে।

আমি মনে করি একজন স্বামী যদি তার স্ত্রীর পাশে থেকে ডেলিভারি বা সিজারের কষ্ট টা নিজ চোখে দেখে,, তবে স্বামী পরবর্তীতে স্ত্রীর সাথে কখনোই খারাপ ব্যবহার করার সাহস হতো না, সে যতো নিষ্ঠুর পুরুষই হোক না কেন। একটু হলেও তার স্ত্রীকে মায়ার আচলে আগলে রাখতো।

আমি জানি বাংলাদেশে হয়তো এই নিয়মটা কখনোই বদলাবে না, তারপরও মানুষ একটু হলেও সচেতন হোক এবং মহিলা ডাক্তার দ্বারা তার স্ত্রীর ডেলিভারি বা সিজার করাক।

 @এস.এ মাসুম

Monday, 25 May 2020

কি ভাবছেন- করোনা সহসাই চলে যাবে?



কি ভাবছেন- করোনা সহসাই চলে যাবে? করোনা তো সহসা যাচ্ছে না ভ্যাকসিন বাজারে না আসা পর্যন্ত। আর সেতো কমকরে হলেও বছর খানেকের ব্যপার।
 তাহলে উপায় কি ? ভয় পেয়ে আজীবন লকডাউনে থাকবেন, ঘরে বসে থেকে জীবনটা কাটিয়ে দেবেন? মাস্ক পরে, সাবান বা সেনিটাইজার ব্যবহার করে??এসবের কোনোটিই সমস্যার সমাধান নয়। ঘরের বাইরে আমাদের যেতেই হবে। করোনার সাথে বসবাসে আপনাকে অভ্যস্ত হতেই  হবে। নীচের বিষয়গুলো আমরা follow করতে পারি করনাকে পরাজিত করার জন্যে:
♦️আপনাকে অবশ্যই Social Distancing নির্দেশনা follow করতে হবে এবং আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
♦ শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে আপনাকে হার্ট ও ডায়াবেটিস,  রক্তচাপ, হাঁপানি, কিডনি, লিভার, জাতীয় ইত্যাদি রোগ থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
 ♦️রাস্তাঘাটের জান্কফুড, আইসক্রিম, কোল্ডড্রিংক মানে চিনিসমৃদ্ধ পানীয় এবং খাবার বর্জন করতে হবে। তেল-চর্বি কম খেতে হবে।
♦️মদ্য ও ধূমপান করছেন তো করোনার কাছে আত্মসমর্পণ করে বসলেন।
♦️ফ্রেশ শাকসবজি, ফলমূল, মাছ বেশি খাবেন। প্রচুর ভিটামিন সি, ই, ডি খাবেন। ভিটামিন ডি পেতে হলে সূর্যস্নান করতে হবে প্রতিদিন।
♦️প্রতিদিন খাবারে পারলে অন্তর্ভুক্ত করবেন- তিনটি খেজুর, এক চামচ কালো জিরা। ভাত, রুটি বা চিনিজাতীয় খাবার একদম কম খাবেন। সামর্থ ও সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন পরিমিত চিজ, বাটার, দুধ, ডিম, দই, গরু ও খাসি ছাড়া চর্বিবিহীন মাছ, মোরগজাতীয় প্রাণিজ প্রোটিন খাবেন। বেশি চা বা কফি খাবেন না।
♦️প্রতিদিন অন্তত ত্রিশ মিনিট ব্যায়াম করবেন। দুশ্চিন্তা আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে। প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। আর ছয় থেকে সাত ঘন্টা নির্বিঘ্নে ঘুমাবেন।

♦️আপনি যদি উল্লেখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করেন, তবে আশা করি আপনি করোনাভাইরাসকে পরাজিত করতে পারবেন।

♦️আর একটি কথা। অসীম সাহস ও আল্লাহর / সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
#এস.এ মাসুম

Wednesday, 19 June 2019

দুঃখের বিষয় বিগত ৩৯ মাসেও শেষ হলো না তনু হত্যা মামলার ডিএনএ পরীক্ষা আর ম্যাচিং 😭


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলাটি ডিএনএ পরীক্ষা এবং ম্যাচিং করার বিষয়ে আটকে আছে। হত্যা মামলার ৩৯ মাসেও সিআইডি পরীক্ষা ও ম্যাচিং শেষ করতে পারেনি। এছাড়া দীর্ঘ সময়েও তনুর হত্যাকারীরা শনাক্ত হয়নি, নেই মামলার উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি।

এদিকে তনুর খুনিরা চিহ্নিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তার পরিবার এবং কুমিল্লার বিশিষ্টজনরা। তনুর মা আনোয়ারা বেগমের আকুতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তিনি মেয়ে হত্যার বিচার চাইবেন। আনোয়ারা বেগমের বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী তার মেয়ে হত্যার বিচারে ব্যবস্থা নেবেন।

তনুর পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি তনু। পরে স্বজনরা খোঁজ চালিয়ে রাতে বাসার অদূরে সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গলে তনুর মরদেহ পায়।

পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশ ও ডিবির পর ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। তনুর দুই দফা ময়নাতদন্তে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফরেনসিক বিভাগ মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি। শেষ ভরসা ছিল ডিএনএ রিপোর্ট।

২০১৭ সালের মে মাসে সিআইডি তনুর জামা-কাপড় থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। পরে সন্দেহভাজনদের ডিএনএ ম্যাচিং করার কথা থাকলেও তা করা হয়েছে কিনা- এ নিয়েও সিআইডি বিস্তারিত কিছু বলছে না।

সর্বশেষ সন্দেহভাজন হিসেবে তিন জনকে ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সিআইডির একটি দল ঢাকা সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সে সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা ব্যক্তিরা তনুর মায়ের সন্দেহ করা আসামি বলেও জানায় সিআইডি। তবে তাদের নাম জানানো হয়নি।

গণজাগরণ মঞ্চ- কুমিল্লার মুখপাত্র খায়রুল আনাম রায়হান বলেন, তনু হত্যা মামলাটির তদন্তে সিআইডি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, তনুর বাবা এবং আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছি। মৃত্যুর আগে মেয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মেয়ের হত্যার বিচার চাওয়ার সুযোগ পেলে অন্তরে শান্তি পেতাম। প্রায় এক বছর ধরে সিআইডির সঙ্গে আমাদের কোনও যোগাযোগ নেই। অফিসে গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকেও পাওয়া যাচ্ছে না।

তনুর মা আরো বলেন, সার্জেন্ট জাহিদ ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকারী কে বেরিয়ে আসবে। কারণ সার্জেন্ট জাহিদের বাসায় টিউশনি করতে যাওয়ার পর জঙ্গলে তনুর মরদেহ পাওয়া যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, আমাদের কাজে কোনও স্থবিরতা নেই, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ডিএনএ পরীক্ষা এবং ম্যাচিং করার বিষয়টি সময় সাপেক্ষ। ডিএনএ ম্যাচিংয়ের কাজ চলছে। আমরা ডিএনএ প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি।
@এস.এ মাসুম

Wednesday, 22 May 2019

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরে নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা বিধান এবং ঈদের অনাবিল আনন্দ ও শান্তি অটুট রাখতে কিছু নির্দেশনা মেনে চলুন...



আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরে নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা বিধান এবং ঈদের অনাবিল আনন্দ ও শান্তি অটুট রাখতে কিছু নির্দেশনা মেনে চলুন...

সমগ্র বাংলার জনগনকে নির্দেশনা গুলো মানার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্দেশনা গুলো হল -

১/ ঈদগাহ্ মাঠের নিরাপত্তা:

ঈদগাহে যাওয়ার সময় নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন বহন করার ক্ষেত্রে সর্তক থাকুন,
ঈদের জামায়াতের সময় অপরিচিত/দুষ্কৃতিকারী কেউ যেন বাসায় প্রবেশ না করে তা নিশ্চিত করুন,
অপরিচিত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত খাদ্য গ্রহণে সর্তক থাকুন,
ঈদের জামায়াতের আশেপাশে ও ফুটপাতে ডাব কিংবা বোতলজাত পানীয় পান করার ক্ষেত্রে সর্তক থাকুন,
ঈদ উপলক্ষে বাসা/বাড়িতে গৃহকর্মী নিযুক্ত করলে তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখুন,
ঈদগাহ্ মাঠে প্রবেশের সময় জায়নামাজ ব্যতীত অন্য কোন বস্তু না নেওয়ার জন্য সকলকে নিরুৎসাহিত করা হল,
নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে ঈদগাহ্ মাঠের প্রবেশ ও বাহির পথে নজরদারী রাখার ব্যবস্থা করতে হবে,
ঈদগাহ্ মাঠের যানজট নিরসনকল্পে ব্যক্তিগত গাড়ী ঈদগাহ মাঠ হতে দূরে পার্কিং এর জায়গায় রাখুন এবং প্রয়োজনে তালাবন্ধ করুন,
প্রয়োজনে থানা পুলিশের সহযোগিতা গ্রহণ করুন।

২/ বাসা/বাড়ির নিরাপত্তা:

ঈদ উপলক্ষে ছুটিতে গেলে বা বাসা ত্যাগ করলে আপনার বাসার দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবন্ধ করুন,
আপনার বাসা/অফিসে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করুন,
দরজায় নিরাপত্তা এলার্মযুক্ত তালা ব্যবহার করুন,
মহল্লা ও বাড়ির সামনে সন্দেহজনক কাউকে/দুষ্কৃতিকারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি ও থানাকে অবহিত করুন,
বাসায় গেট দরজা খোলা রেখে ঈদের নামাজ পড়তে যাবেন না।

৩/ মার্কেট, শপিং মল, কার পার্কিং ও ব্যাংক লেনদেন বিষয়ে নিরাপত্তা:

দোকান মালিকগন মার্কেট/শপিং মলে কোন নগদ অর্থ রাখবেন না,
মার্কেট/শপিং মল ত্যাগের পূর্বে অবশ্যই নিশ্চিত হোন যে, আপনার প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে তালাবন্ধ করা হয়েছে,
স্বর্ণের দোকান, ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান হলে সিসিটিভি এবং এলার্ম স্কিম ব্যবহার করুন এবং নিশ্চিত হোন তা সক্রিয় রয়েছে,
ব্যাংক থেকে উত্তোলন এবং টাকা বহনে সর্বদা সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে অর্থ স্থানান্তরে পুলিশের সহায়তা নিন,
মার্কেট/শপিং মলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীর বিশ্বস্ততা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন,
মার্কেট/শপিং মলের সকল চাবি নিজের কাছে রাখুন,
গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্ধারিত স্থান ব্যবহার করুন,
মার্কেট কিংবা বিপণি বিতানে গমনের সময় দামি অলংকারাদি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন,
পকেটমার, ছিনতাইকারী, প্রতারক ও দুষ্কৃতিকারী হতে সাবধান হোন,
মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করুন,
মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে নিজেদের জেনারেটর ব্যবহারে অধিক তৎপর হোন।

৪/ রাস্তা/যাত্রাপথে নিরাপত্তা:

নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে টহল পুলিশের সহায়তা নিন।
রাত্রিকালে জনবহুল রাস্তা দিয়ে চলাচল করার চেষ্টা করুন।
রাস্তায় চলাচলের সময় সঙ্গে থাকা মূল্যবান সামগ্রী বা টাকা পয়সা সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
সিএনজিতে পূর্ব থেকে অপরিচিত যাত্রী বসা থাকলে তা এড়িয়ে চলুন।
রাস্তায় বাস/ট্রেন/লঞ্চ টার্মিনালের সাথে ভাগাভাগি করে গাড়ি ভাড়া করবেন না।
সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী থেকে সতর্ক থাকুন।
রাস্তায় অপরিচিত কারও কাছ থেকে কোনো কিছু খাবেন না।
যাতায়াতের সময় সহযাত্রী বেশে থাকা অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির খপ্পর হতে সতর্কতা অবলম্বন করুন।
মধ্য কিংবা শেষ রাতে বাসস্ট্যান্ডে নামলে সতর্কতার সাথে চলাচল করুন, প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নিন।
ট্যাক্সি/অটোরিকশা বা ভাড়ায় চালিত অন্যান্য গাড়ি ভাড়া করার সময় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ড্রাইভারের নাম ঠিকানা লিখে নিন।
যাত্রীদেরকে ট্রাকে করে ঈদ ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হল।

৫/ যানজট নিরসনে ট্রাফিক সচেতনতা:

ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন।
নির্দিষ্ট লেনে গাড়ি চালান।
রাস্তার বিপরীত দিকে গাড়ি চালাবেন না।
যত্রতত্র বাস ও সিএনজি থামাবেন না।
যত্রতত্র গাড়ি ও সিএনজি পার্কিং করবেন না।
প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবেন না।
হেলমেট পরিধান করে মোটর সাইকেল চালান।
মোটর সাইকেলে লুকিং গ্লাস ব্যবহার করুন।
গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না।

@এস.এ মাসুম