Monday, 21 July 2025

উত্তরায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা


 দুর্ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:( আজ দিতে হল আমাদের দেশের বিমান দুর্ঘটনার খবর) 

 • ঘটনার সময়: দুপুর ১টা ১৮ মিনিট

 • উড্ডয়নের সময়: দুপুর ১টা ৬ মিনিট

 • স্থান: উত্তরা, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ

 • বিমান: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর F-7 BGI প্রশিক্ষণ বিমান

 • পাইলট: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর (নিহত)


দুর্ঘটনার বিবরণ:


বিমানটি উড্ডয়নের ১২ মিনিটের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্কুলের একটি ভবনে আছড়ে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে তখন ক্লাস শেষে কোচিং চলছিল এবং আনুমানিক ১০০-১৫০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করে।


প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি:

 • নিহত: অন্তত ৬ জন (পাইলটসহ)

 • আহত: ৭০+ (বহুজন দগ্ধ)

 • চিকিৎসা: আহতদের জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে


উদ্ধার তৎপরতা:

 • ফায়ার সার্ভিস: ৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে

 • সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ: দ্রুত উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়

 • উপস্থিত ছিলেন: উত্তরা বিভাগের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা


দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিমান বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।


আমি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগরের পরিবার, আহতদের এবং নিহতদের স্বজনদের প্রতি।


**ঢাকায় ফ্লাই করার সময় আমার সাথেও ফাইটারের TA( Traffic Alert) সংকেত এসেছিল।মাঝে মাঝে আমাদের অনেকক্ষন অপেক্ষা করতে হয় যখন একে একে উড্ডয়ন ও অবতরণ করে।

Saturday, 16 July 2022

মৃত্যুর নিষ্ঠুরতা ও নতুন জীবনের গর্জন, একইসাথে !


 

একদিনের এ শিশুটির মা, বাবা, বোন আজ সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছে। 

নয় মাসের  অন্তঃসত্ত্বা মায়ের গর্ভ থেকে শিশুটি যখন  প্রসব হয় মা তখন নিহত।   

ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল কোর্টভবন সংলগ্ন গুলশান সিনেমা হলের কাছে রাস্তা পারাপারের সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।  

শিশুটি বর্তমানে সুস্থ আছে কিন্তু একটি হাত ভেঙে গেছে। একটি নাম না জানা পরিবার শিশুটির চিকিৎসা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়েছেন।  

মৃত মা বাবা বোনের জানাজায় একদিনের শিশুটি উপস্থিত ছিল। 

মাত্র একদিনের একটা ছোট্ট জীবন, দুনিয়ার সবচাইতে নিঠুর নিষ্ঠুরতা জেনে গেল। একইসাথে দেখল সৃষ্টির ওপার রহস্য। 


মৃত্যুর নিষ্ঠুরতা ও নতুন জীবনের গর্জন, একইসাথে ! 

আহারে মানব জনম, আহারে! 

@samasumbd

 

“আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না"


 

"ফুফু" বাবার বোনকে বলে।

"খালা" মার    বোনকে বলে। 

বাবা-মা যে মা এর বুকের দুধ খেয়ে বড় হয়েছেন, 

ফুফু-খালা ও তেমনি ঐ মা এর বুকের দুধ খেয়েই বড় হয়েছেন।৷ 

বাবা-মা যে মা-বাবার আদর-যত্নে এবং যে মাটির ধূলো-বালি,আলো বাতাস গায়ে মেখে মানুষ হয়েছেন ফুফু-খালা ও তেমনি সেই  মা-বাবার আদর-যত্নে এবং সে মাটির ধূলো-বালি,আলো বাতাস গায়ে মেখে মানুষ হয়েছেন,

কিন্তু আাফসোস! শত আফসোস! 

বর্তমানে এই ফুফু-খালা নামের শব্দটি খুবই অবহেলিত।

ক'জন ভাইপো এবং বোনপো আছে ফুফুর-খালার খবর রাখে?সুখে-দঃখে, ভাল-মন্দে, হাসি-আনন্দে ফুফুর-খালার খোজ-খবর রাখে?

আমরা সকলেই জানি, বাবা-মা' ভাইদের ইন্তেকাল এর পর  নারীরা বাপের বাড়ীর কথা অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ভুলে যেতে থাকে।

শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত উঠোন, গাছের লিচু, পাকা আম কাঁঠাল আর পুকুর পাড়ের নারিকেল গাছ সব গুলো কেমন যেনো পর হতে শুরু করে।

শুধু তাই নয়, বাবা    এবং মার বাড়ীর মানুষগুলো ও ক্রমান্বয়ে কেমন জানি  অচেনা অজানা হতে থাকে।

অনেক ক্ষেত্রে ভাইদের এবং বোনদের ইন্তেকালের পর সবকিছুই একেবারে স্মৃতি হয়ে যায়।

ফুফু এবং খালারা আমাদের রক্ত সম্পর্কের স্বজন।

বাবা-মার দেহে যে রক্ত প্রবাহমান, ফুফু এবং খালার দেহে ও সেই রক্তই প্রবাহমান এমন কি ভাইপোর দেহে ও সেই একই রক্ত প্রবাহিত। 

তাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা কোন মু'মিনের জন্য মোটেও কাম্য নয়।

শরীয়তে সকল স্বজনদের  সাথে সু সম্পর্ক  রাখতে বলা হয়েছে,এবং তাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন না করার জন্য তাকীদ করা হয়েছে। 


১/: 

وَالَّذِينَ يَصِلُونَ مَا أَمَرَ اللَّهُ بِهِ أَن يُوصَلَ وَيَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ وَيَخَافُونَ سُوءَ الْحِسَابِ


২/ জুবায়ের ইবন মুত্বইম থেকে বর্ণিত তিনি বলেন,নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-

«لا يَدْخُلُ الْـجَنَّةَ قَاطِعٌ»

“আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না"।[বুখারী-মুসলিম] ফুফুদের ভুলে যাওয়া কোন মু'মিনের জন্য মোটেও উচিৎ নয়।

তাই সদা সর্বদা ফুফু এবং খালাদের সাথে সুসম্পর্ক রাখবো এবং  ছোট ছোট বাচ্ছাদের নিয়ে ফুফু এবং খালার বাড়ী বেড়াতে যাবো।হাতে করে গাছের ফল,পুকুরের মাছ,গাভীর দুধ নিয়ে যাবো।এতে শিশুরা আমাদের কাছ থেকে শিখবে।তারাও তাদের ফুফুকে, খালাকে যত্ন নিবে। ফুফুরা-খালারা ও ভাইপো    এবং বৌনপোদের জন্য চকলেট কিনে রাখুন ভাইয়ের সন্তান এবং বোনের সন্তানের মতো এদেরকেও কাছে টানুন।

রক্তের বন্ধন অটুট রাখার চেষ্টা দু'পক্ষই সমান তালে করে যেতে হবে।আল্লাহ আমাদের সামাজিক বন্ধনকে মজবুত করুন(আমীন)।🤲🤲

@এস.এ মাসুম

Friday, 8 July 2022

ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ বলে ক্রয়কৃত কোরবানির পশুর ছবি পোস্ট করা হলো "রিয়া"এর অন্তর্ভুক্ত।"


 ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ বলে ক্রয়কৃত কোরবানির পশুর ছবি পোস্ট করা হলো "রিয়া"এর অন্তর্ভুক্ত।"

(রিয়া অর্থ হলো-লোক দেখানো ইবাদাত। যা শিরকের অন্তর্ভুক্ত)

ফেসবুকে একমাত্র মানুষকে দেখানোর জন্য, আর নিজের বড়ত্ব জাহির করার জন্যই পোস্ট করা হয়, এছাড়া আর কোনো যৌক্তিক কারন নাই..!!

অথচ কোরবানি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক ও হেদায়েত দান করুক। (আমিন🤲)
@samasumbd

Saturday, 21 May 2022

যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️

 



যাদের রাতে ঘুমাতে দেরি হয়, তাদের জন্য‼️

এক ব্যক্তি হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) এর সাথে তর্ক করছিলো যে- 'বরকত' বলতে কিছুই নেই।

তিনি বললেন, তুমি কি ছাগল ও কুকুর দেখেছো?

লোকটি বলল, জি দেখেছি।

শায়খ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো কুকুর আর ছাগল এর মধ্যে কে বেশি বাচ্চা দেয়?

লোকটি বললো, কুকুর।

শায়খ বললেন, এদের মধ্যে তুমি কোন জন্তুটিকে 

বেশি দেখতে পাও, কুকুর না ছাগল?

লোকটি বললো, ছাগল।

শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম (রহঃ) বললেন, 

"ছাগলকে জবেহ করা হয়, এরপর ও ছাগলের 

সংখ্যায় বেশি দেখা যায়, কমে না। 

এটা কি বরকত নয়?

লোকটি বললো, এর কারণ কি- ছাগলের মধ্যে 

বরকত হয়, আর কুকুরের মধ্যে বরকত হয় না?

শায়খ বললেন, ছাগল সন্ধ্যা হতেই ঘুমিয়ে যায়, আর ভোরে জাগ্রত হয়, এই সময়টাই হয় রহমত ও বরকত বর্ষণের মুহূর্ত। ফলে তার মধ্যে বরকত হয়। 

আর কুকুর সারা রাত জাগ্রত থাকে ফজরের আগে ঘুমায়। তাই সে বরকত থেকে বঞ্চিত থাকে।

একটু_চিন্তার_বিষয়, 

নবীজি (সঃ) এর সুন্নাত হলো- এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যাওয়া। শেষ রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ পড়া, কেননা আল্লাহ রাতের শেষ তৃতীয়াংশে প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দাদের কে দোয়া করার জন্য ক্ষমা চাওয়ার জন্য ডাকতে থাকেন।

আর আমরা? সাড়া রাত মোবাইলে, ইন্টারনেটে 

হারাম কাজে ব্যস্ত থেকে ঠিক এই সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি। আর ফজরের তো খবরই নেই।

অথচ রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, ফজরের কেবল দুই রাকাত সুন্নাত সালাত পৃথিবী এবং এর মধ্যে যা আছে সবকিছুর চাইতে উত্তম, সুবহানআল্লাহ। তাহলে দুই রাকাত ফরজের কতটা মর্যাদা হতে পারে? এমন অতি মূল্যবান সময় আমরা ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। তাহলে আমাদের কাজ কর্মে আল্লাহ বরকত দিবেন কিভাবে? 

আবার আমরাই দোয়া করে অস্থির হয়ে যাই আর ভাবি - আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করেন না কেনো?

তাই আসুন আমরা এখনই নিজেকে পরিবর্তন করি, আল্লাহর বিধান সমূহকে যথাযথভাবে গুরুত্বের সাথে পালন করি। তাহলে আশা করা যায়, তিনি আমাদের দোয়া কবুল করবেন এবং কাজকর্মে বরকত দিবেন, ইনশাআল্লাহ। 

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার 

তৌফিক দান করুন, আল্লাহুম্মা আমিন।

@এস.এ মাসুম

Monday, 9 May 2022

"রিয়া" তথা লোক দেখানো ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না!


 ১) নামায শেষ করে উঠে যাওয়ার সময় জানতে পারলাম মেহমান চলে এসেছে। এজন্য মেহমান ঘরে প্রবেশ করা পর্যন্ত জায়নামাজে বসে থাকলাম। সম্পুর্ন ইচ্ছাকৃত না হলেও অবচেতন মন চাইছে নামায যে পড়তেছি মেহমান দেখুক! এটি ই রিয়া।


২) কেউ জিজ্ঞেস করলো-আপনি কি করছেন?
উত্তরে বললাম-আমি নামায পড়ে উঠে নাস্তা করতেছি বা নামায পড়ে উঠে এখন রান্না করতেছি।এখানে শুধু নাস্তা বা রান্না করার কথা বললেই হতো, সাথে -নামায পড়ে উঠে" কথাটি জুড়ে দিয়ে অতি সুক্ষভাবে নামাযকে প্রচারে নিয়ে আসা হল। এটি ই রিয়া।

৩) ফজরে যে নামায পড়তে উঠলাম কিন্তু কেউ জানলো না, তাই সেটা মানুষকে জানানোর জন্য দিলাম ফেসবুকে একটা পোস্ট, লিখলাম : "সবাই নামায পড়তে উঠুন/ঐ সময় ই ফজর নামাজের ফযীলত সম্পর্কিত/শাস্তি নিয়ে পোস্ট করলাম।" আমি জানি আমার এই পোস্টে কারো ঘুম ভাংগবেনা,তাও দিলাম। মোদ্দাকথা নামাযের ব্যাপারটা সবাইকে জানাতেই হবে। এটি ই রিয়া।

৪) নফল রোজা রেখে দুপুরে বন্ধুর সাথে চ্যাট করছি, হঠাৎ তাকে জিজ্ঞেস করেছি,ভাত খেয়েছিস কিনা?অথচ আজীবন তার ভাতের খবর নেয়নি,সে হ্যাঁ/না উত্তরের সাথে যে "তুই খেয়েছিস?"এটা জিজ্ঞেস করবে সেটার গ্যারান্টি সূর্য উঠার মতই,সে সুযোগে না দোস্ত রোজা রেখেছি বলে রোজার প্রচার করে দিলাম, এটি ই রিয়া।

৫) কুরবানির গরু কিনলাম, অফলাইনের আশেপাশের সবাই দেখলেও অনলাইন বন্ধুদের সামনে তো আর শো আপ করা হলো না।তাই প্রাইভেসি পাবলিক করে দিয়ে দিলাম পোস্ট, আলহামদুলিল্লাহ্‌ Done এইটি রিয়া।

৬) বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার সময় মজার ছলেই টেকনিকে বলে দিলাম, তুই বেটা কিপটা, কিছুই দান করিস না। প্রতিউত্তরে, "তুই কি দান করে উল্টিয়ে ফেলছিস? এই প্রশ্নটা যে করবে তা জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারি আসার মতই নিশ্চিত আমি, সাথে সাথেই দিয়ে দিলাম আমার দানের লিস্ট, সম্পূর্ণ ডিটেল সহকারে। এইটি রিয়া।

উপরের প্রত্যেক উদ্দীপক পড়ে কিছু আয়ত্ত করতে পারলেন কি? একেই বলে রিয়া। এতক্ষণ যে ইবাদত গুলো করলাম সেগুলা কি আল্লাহর জন্য, নাকি লোক দেখানো? লোক দেখানো মানেই রিয়া।

কখনো ভেবেছেন, এসব ইবাদত আদৌ কবুল হবে কি? উপরোক্ত প্রত্যেকটি ইবাদতই হলো "রিয়া"

আল্লাহ আমাদের রিয়ামুক্ত ইবাদতের তৌফিক দান করুক। আল্লাহুম্মা আমিন।❤️
@এস.এ মাসুম

Monday, 11 October 2021

মধ্যবিত্তদের এখন সংসার চালানোই দায়!


 সয়াবিন তেল - ৭২৮ টাকা ( ৫ লিটার ) 

ব্রয়লার সোনালী মুরগি - ৩০০ টাকা (কেজি)

গরুর মাংশ - ৬০০ টাকা (কেজি)

ডিম - ১১০-১১৫ টাকা ( ডজন ) 

কাচকি মাছ - ৪৫০-৫০০ টাকা ( কেজি) 

রুই - ২৮০-৩০০/৩২০ টাকা ( কেজি, মিডিয়াম সাইজ ) 


পেয়াজ- ৬৮-৭০ টাকা কেজি 

টমেটো -১৫০ টাকা কেজি

পেঁপে - ৩০ টাকা কেজি 

ডেরশ - ৬০-৭০ টাকা কেজি 

শিম - ১৩০ টাকা কেজি

পটল - ৬০ টাকা কেজি 

বেগুন, সবুজ - ৭০ টাকা কেজি 

চিচিঙ্গা - ৬০ টাকা কেজি 

ঝিঙা - ৬৫-৭০ টাকা কেজি 

কাঁচা মরিচ - ২২০ টাকা কেজি 


মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ গুলো কিভাবে সংসার চালায় জানেন?  😪😪 উপার্জনের থেকে ব্যয় বেশি এখন। শখ পূরণ তো দূরের বিষয় 😪😪


#মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে যদি একটু নজর দিতেন । 😪😪


©এস.এ মাসুম

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা নিছক বিধানের উপর নির্ভর করে না !


অনেক সময় স্বামী-স্ত্রী পরস্পর ঝগড়া করার সময় একজন অপরজনকে নিজের অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আর বলে “আপনি আগে আমার অধিকার গুলো আদায় করুন! তুমি আগে নিজের দায়িত্ব পালন করো।“

.
এইক্ষেত্রে আমরা বলব, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা নিছক বিধানের উপর নির্ভর করে না। এই সম্পর্কের ভিত্তি হল প্রেম-ভালোবাসা। প্রত্যেকেই একে অপরের দায়িত্ব পালনে সচেষ্টা থাকবে এবং নির্ধারিত দায়িত্ব থেকেও অধিক করার মানসিকতা রাখবে। কখনো কখনো উভয়েই সেক্রিফাইস করবে।
.
পরিবার কোন শরীকানা প্রতিষ্টান না যে এখানে প্রতিপক্ষ স্বরূপ দুই শরীক একে অপরের কাছ থেকে কড়া-গন্ডায় হিসেব নিবে। পরিবারে কোনভাবে বিতর্ক দেখা দিলে উভয়েই আল্লাহ প্রদত্ত ভালবাসা ও মুহাব্বতের কাছে আশ্রয় নিবে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলছেন, আর তার নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হল, তিনি তোমাদের মধ্য থেকেই তোমাদের জন্য সংগিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের মাঝে পরস্পারিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করে দিয়েছেন।
.

যখন পরিবারে ‘আমার অধিকার’, ‘তোমার দায়িত্ব’ - এই শব্দগুলোই প্রতিধ্বনিত হতে থাকে, তখন বুঝতে হবে এই পরিবার সেই পবিত্র ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি যার উপর একে প্রতিষ্ঠা করা দরকার ছিল। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান কিংবা কোম্পানির ভিত্তি থাকে ন্যায়ের উপর। কিন্তু পরিবারের ভিত্তি থাকে আরো উর্ধ্বে, একে অপরকে প্রাধান্য দান এবং আত্মত্যাগের উপর। প্রেম ও ভালবাসার উপর।

©এস.এ মাসুম

Thursday, 2 July 2020

সিজারে পুরুষ কেন???


বাংলাদেশে কি নারী ডাক্তারের এতোটাই অভাব?আপনারা যারা বিয়ে করেছেন, ছেলে মেয়ের বাবা হবেন তারা কান খাড়া করে শুনুন।

আপনার স্ত্রীকে ডেলিভারির নামে কিসের সিজার করাচ্ছেন,,যে সিজার পুরুষ ডাক্তার দিয়ে করানো হয়।

মনে রাখবেন, আপনার স্ত্রীর গোপণ অঙ্গ আপনি ব্যতীত কোনো পুরুষের দেখার অধিকার নেই।
যদি এমনটা হয়,তাহলে কাল কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহর নিকট এর জবাবদিহিতা আপনাকেই করতে হবে

এই লজ্জাটা কার?লজ্জাটা আপনার।
এই লজ্জাটা গোটা মানবজাতির।

আসুন নিয়ম বদলাই।

অন্যান্য দেশ গুলোতে স্ত্রীর ডেলিভারির সময় স্বামীকে পাশে রাখা হয়।এতে স্ত্রীর মন অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী হয় ওঠে।আর স্ত্রীরা ভাবে নতুন কোনো মানুষকে পৃথিবীতে আনতে হয়তো আমার মৃত্যুও হতে পারে,কিন্তু আমার সৌভাগ্য যে,আমার এই জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আমার স্বামী আমার পাশে আছে,আপাতত আমি তার চেহারার দিকে তাকিয়ে সব যন্ত্রণা হাসিমুখে মেনে নিতে পারবো।

কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে আঁতুরঘর তো দুরের কথা হসপিটাল এর অপারেশন রুমের আশেপাশেও স্বামীকে রাখা হয় না।
কিছু কিছু ডাক্তারের আত্মসম্মানে লাগে স্বামী পাশে থাকতে চাইলে।

আমি মনে করি একজন স্বামী যদি তার স্ত্রীর পাশে থেকে ডেলিভারি বা সিজারের কষ্ট টা নিজ চোখে দেখে,, তবে স্বামী পরবর্তীতে স্ত্রীর সাথে কখনোই খারাপ ব্যবহার করার সাহস হতো না, সে যতো নিষ্ঠুর পুরুষই হোক না কেন। একটু হলেও তার স্ত্রীকে মায়ার আচলে আগলে রাখতো।

আমি জানি বাংলাদেশে হয়তো এই নিয়মটা কখনোই বদলাবে না, তারপরও মানুষ একটু হলেও সচেতন হোক এবং মহিলা ডাক্তার দ্বারা তার স্ত্রীর ডেলিভারি বা সিজার করাক।

 @এস.এ মাসুম

Monday, 25 May 2020

কি ভাবছেন- করোনা সহসাই চলে যাবে?



কি ভাবছেন- করোনা সহসাই চলে যাবে? করোনা তো সহসা যাচ্ছে না ভ্যাকসিন বাজারে না আসা পর্যন্ত। আর সেতো কমকরে হলেও বছর খানেকের ব্যপার।
 তাহলে উপায় কি ? ভয় পেয়ে আজীবন লকডাউনে থাকবেন, ঘরে বসে থেকে জীবনটা কাটিয়ে দেবেন? মাস্ক পরে, সাবান বা সেনিটাইজার ব্যবহার করে??এসবের কোনোটিই সমস্যার সমাধান নয়। ঘরের বাইরে আমাদের যেতেই হবে। করোনার সাথে বসবাসে আপনাকে অভ্যস্ত হতেই  হবে। নীচের বিষয়গুলো আমরা follow করতে পারি করনাকে পরাজিত করার জন্যে:
♦️আপনাকে অবশ্যই Social Distancing নির্দেশনা follow করতে হবে এবং আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
♦ শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে আপনাকে হার্ট ও ডায়াবেটিস,  রক্তচাপ, হাঁপানি, কিডনি, লিভার, জাতীয় ইত্যাদি রোগ থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
 ♦️রাস্তাঘাটের জান্কফুড, আইসক্রিম, কোল্ডড্রিংক মানে চিনিসমৃদ্ধ পানীয় এবং খাবার বর্জন করতে হবে। তেল-চর্বি কম খেতে হবে।
♦️মদ্য ও ধূমপান করছেন তো করোনার কাছে আত্মসমর্পণ করে বসলেন।
♦️ফ্রেশ শাকসবজি, ফলমূল, মাছ বেশি খাবেন। প্রচুর ভিটামিন সি, ই, ডি খাবেন। ভিটামিন ডি পেতে হলে সূর্যস্নান করতে হবে প্রতিদিন।
♦️প্রতিদিন খাবারে পারলে অন্তর্ভুক্ত করবেন- তিনটি খেজুর, এক চামচ কালো জিরা। ভাত, রুটি বা চিনিজাতীয় খাবার একদম কম খাবেন। সামর্থ ও সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন পরিমিত চিজ, বাটার, দুধ, ডিম, দই, গরু ও খাসি ছাড়া চর্বিবিহীন মাছ, মোরগজাতীয় প্রাণিজ প্রোটিন খাবেন। বেশি চা বা কফি খাবেন না।
♦️প্রতিদিন অন্তত ত্রিশ মিনিট ব্যায়াম করবেন। দুশ্চিন্তা আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে। প্রতিদিন দুই থেকে তিন লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। আর ছয় থেকে সাত ঘন্টা নির্বিঘ্নে ঘুমাবেন।

♦️আপনি যদি উল্লেখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করেন, তবে আশা করি আপনি করোনাভাইরাসকে পরাজিত করতে পারবেন।

♦️আর একটি কথা। অসীম সাহস ও আল্লাহর / সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
#এস.এ মাসুম

Wednesday, 19 June 2019

দুঃখের বিষয় বিগত ৩৯ মাসেও শেষ হলো না তনু হত্যা মামলার ডিএনএ পরীক্ষা আর ম্যাচিং 😭


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলাটি ডিএনএ পরীক্ষা এবং ম্যাচিং করার বিষয়ে আটকে আছে। হত্যা মামলার ৩৯ মাসেও সিআইডি পরীক্ষা ও ম্যাচিং শেষ করতে পারেনি। এছাড়া দীর্ঘ সময়েও তনুর হত্যাকারীরা শনাক্ত হয়নি, নেই মামলার উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি।

এদিকে তনুর খুনিরা চিহ্নিত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তার পরিবার এবং কুমিল্লার বিশিষ্টজনরা। তনুর মা আনোয়ারা বেগমের আকুতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তিনি মেয়ে হত্যার বিচার চাইবেন। আনোয়ারা বেগমের বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী তার মেয়ে হত্যার বিচারে ব্যবস্থা নেবেন।

তনুর পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি তনু। পরে স্বজনরা খোঁজ চালিয়ে রাতে বাসার অদূরে সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গলে তনুর মরদেহ পায়।

পরদিন তার বাবা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশ ও ডিবির পর ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল থেকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। তনুর দুই দফা ময়নাতদন্তে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফরেনসিক বিভাগ মৃত্যুর সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি। শেষ ভরসা ছিল ডিএনএ রিপোর্ট।

২০১৭ সালের মে মাসে সিআইডি তনুর জামা-কাপড় থেকে নেওয়া নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করে তিনজন পুরুষের শুক্রাণু পাওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিল। পরে সন্দেহভাজনদের ডিএনএ ম্যাচিং করার কথা থাকলেও তা করা হয়েছে কিনা- এ নিয়েও সিআইডি বিস্তারিত কিছু বলছে না।

সর্বশেষ সন্দেহভাজন হিসেবে তিন জনকে ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত সিআইডির একটি দল ঢাকা সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সে সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা ব্যক্তিরা তনুর মায়ের সন্দেহ করা আসামি বলেও জানায় সিআইডি। তবে তাদের নাম জানানো হয়নি।

গণজাগরণ মঞ্চ- কুমিল্লার মুখপাত্র খায়রুল আনাম রায়হান বলেন, তনু হত্যা মামলাটির তদন্তে সিআইডি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক।

তনুর মা আনোয়ারা বেগম বলেন, তনুর বাবা এবং আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছি। মৃত্যুর আগে মেয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মেয়ের হত্যার বিচার চাওয়ার সুযোগ পেলে অন্তরে শান্তি পেতাম। প্রায় এক বছর ধরে সিআইডির সঙ্গে আমাদের কোনও যোগাযোগ নেই। অফিসে গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তাকেও পাওয়া যাচ্ছে না।

তনুর মা আরো বলেন, সার্জেন্ট জাহিদ ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকারী কে বেরিয়ে আসবে। কারণ সার্জেন্ট জাহিদের বাসায় টিউশনি করতে যাওয়ার পর জঙ্গলে তনুর মরদেহ পাওয়া যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, আমাদের কাজে কোনও স্থবিরতা নেই, আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ডিএনএ পরীক্ষা এবং ম্যাচিং করার বিষয়টি সময় সাপেক্ষ। ডিএনএ ম্যাচিংয়ের কাজ চলছে। আমরা ডিএনএ প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি।
@এস.এ মাসুম

Wednesday, 22 May 2019

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরে নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা বিধান এবং ঈদের অনাবিল আনন্দ ও শান্তি অটুট রাখতে কিছু নির্দেশনা মেনে চলুন...



আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরে নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা বিধান এবং ঈদের অনাবিল আনন্দ ও শান্তি অটুট রাখতে কিছু নির্দেশনা মেনে চলুন...

সমগ্র বাংলার জনগনকে নির্দেশনা গুলো মানার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

নির্দেশনা গুলো হল -

১/ ঈদগাহ্ মাঠের নিরাপত্তা:

ঈদগাহে যাওয়ার সময় নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন বহন করার ক্ষেত্রে সর্তক থাকুন,
ঈদের জামায়াতের সময় অপরিচিত/দুষ্কৃতিকারী কেউ যেন বাসায় প্রবেশ না করে তা নিশ্চিত করুন,
অপরিচিত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত খাদ্য গ্রহণে সর্তক থাকুন,
ঈদের জামায়াতের আশেপাশে ও ফুটপাতে ডাব কিংবা বোতলজাত পানীয় পান করার ক্ষেত্রে সর্তক থাকুন,
ঈদ উপলক্ষে বাসা/বাড়িতে গৃহকর্মী নিযুক্ত করলে তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখুন,
ঈদগাহ্ মাঠে প্রবেশের সময় জায়নামাজ ব্যতীত অন্য কোন বস্তু না নেওয়ার জন্য সকলকে নিরুৎসাহিত করা হল,
নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে ঈদগাহ্ মাঠের প্রবেশ ও বাহির পথে নজরদারী রাখার ব্যবস্থা করতে হবে,
ঈদগাহ্ মাঠের যানজট নিরসনকল্পে ব্যক্তিগত গাড়ী ঈদগাহ মাঠ হতে দূরে পার্কিং এর জায়গায় রাখুন এবং প্রয়োজনে তালাবন্ধ করুন,
প্রয়োজনে থানা পুলিশের সহযোগিতা গ্রহণ করুন।

২/ বাসা/বাড়ির নিরাপত্তা:

ঈদ উপলক্ষে ছুটিতে গেলে বা বাসা ত্যাগ করলে আপনার বাসার দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবন্ধ করুন,
আপনার বাসা/অফিসে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ব্যবহার করুন,
দরজায় নিরাপত্তা এলার্মযুক্ত তালা ব্যবহার করুন,
মহল্লা ও বাড়ির সামনে সন্দেহজনক কাউকে/দুষ্কৃতিকারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখলে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ি ও থানাকে অবহিত করুন,
বাসায় গেট দরজা খোলা রেখে ঈদের নামাজ পড়তে যাবেন না।

৩/ মার্কেট, শপিং মল, কার পার্কিং ও ব্যাংক লেনদেন বিষয়ে নিরাপত্তা:

দোকান মালিকগন মার্কেট/শপিং মলে কোন নগদ অর্থ রাখবেন না,
মার্কেট/শপিং মল ত্যাগের পূর্বে অবশ্যই নিশ্চিত হোন যে, আপনার প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে তালাবন্ধ করা হয়েছে,
স্বর্ণের দোকান, ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান হলে সিসিটিভি এবং এলার্ম স্কিম ব্যবহার করুন এবং নিশ্চিত হোন তা সক্রিয় রয়েছে,
ব্যাংক থেকে উত্তোলন এবং টাকা বহনে সর্বদা সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে অর্থ স্থানান্তরে পুলিশের সহায়তা নিন,
মার্কেট/শপিং মলে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীর বিশ্বস্ততা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন,
মার্কেট/শপিং মলের সকল চাবি নিজের কাছে রাখুন,
গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্ধারিত স্থান ব্যবহার করুন,
মার্কেট কিংবা বিপণি বিতানে গমনের সময় দামি অলংকারাদি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন,
পকেটমার, ছিনতাইকারী, প্রতারক ও দুষ্কৃতিকারী হতে সাবধান হোন,
মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করুন,
মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে নিজেদের জেনারেটর ব্যবহারে অধিক তৎপর হোন।

৪/ রাস্তা/যাত্রাপথে নিরাপত্তা:

নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে টহল পুলিশের সহায়তা নিন।
রাত্রিকালে জনবহুল রাস্তা দিয়ে চলাচল করার চেষ্টা করুন।
রাস্তায় চলাচলের সময় সঙ্গে থাকা মূল্যবান সামগ্রী বা টাকা পয়সা সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
সিএনজিতে পূর্ব থেকে অপরিচিত যাত্রী বসা থাকলে তা এড়িয়ে চলুন।
রাস্তায় বাস/ট্রেন/লঞ্চ টার্মিনালের সাথে ভাগাভাগি করে গাড়ি ভাড়া করবেন না।
সন্দেহভাজন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী থেকে সতর্ক থাকুন।
রাস্তায় অপরিচিত কারও কাছ থেকে কোনো কিছু খাবেন না।
যাতায়াতের সময় সহযাত্রী বেশে থাকা অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির খপ্পর হতে সতর্কতা অবলম্বন করুন।
মধ্য কিংবা শেষ রাতে বাসস্ট্যান্ডে নামলে সতর্কতার সাথে চলাচল করুন, প্রয়োজনে পুলিশের সহায়তা নিন।
ট্যাক্সি/অটোরিকশা বা ভাড়ায় চালিত অন্যান্য গাড়ি ভাড়া করার সময় গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ড্রাইভারের নাম ঠিকানা লিখে নিন।
যাত্রীদেরকে ট্রাকে করে ঈদ ভ্রমণ না করার জন্য অনুরোধ করা হল।

৫/ যানজট নিরসনে ট্রাফিক সচেতনতা:

ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন।
নির্দিষ্ট লেনে গাড়ি চালান।
রাস্তার বিপরীত দিকে গাড়ি চালাবেন না।
যত্রতত্র বাস ও সিএনজি থামাবেন না।
যত্রতত্র গাড়ি ও সিএনজি পার্কিং করবেন না।
প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত যাত্রী বহন করবেন না।
হেলমেট পরিধান করে মোটর সাইকেল চালান।
মোটর সাইকেলে লুকিং গ্লাস ব্যবহার করুন।
গাড়ি চালানো অবস্থায় মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না।

@এস.এ মাসুম

Wednesday, 10 April 2019


Nusrat Jahan Rafi has passed away. This young woman was assaulted by her madrassa principal and protested. That in itself took a lot of courage; to file a formal complaint against the head of your school, who is also locally powerful and influential; to do so being part of a community that is heavily religious with the attendant gender conservatism.

As a result, she was set on fire by schoolmates. They took her up to the rooftop of the madrassa and set fire to her. The last few days she battled valiantly to live; her interview, where you can see her wrapped in bandages from neck to toe, was heartbreaking to watch. She must have been in unimaginable agony, eighty percent of her body burned, and still she said, "আমি...এ অন্যায়, এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করবো, শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত।" ("I will protest, I will protest this crime until my last breath.")

She was burned alive because she told.

Her family has reported that the local police are trying to muddy the process (http://tinyurl.com/yxklwd5m); the officer in charge initially commented they would look into whether she was attacked or this was suicide and it took several days for the police to actually bring in the principal for questioning. And yesterday, the local students and residents brought out a rally to demand the 'unconditional release' of this principal. He has, needless to say, connections with locally influential politicians. Oh, and, of course, this is not the first such accusation against him. A coworker has gone on record to say that molesting students was a regular thing he did.

Perhaps in death Nusrat will finally find some peace. At least she isn't in pain any longer.

Rest in peace, brave one.

https://www.dhakatribune.com/bangladesh/dhaka/2019/04/10/feni-madrasa-student-loses-the-battle-for-life?fbclid=IwAR1I5MsE7XODm_ilZzfDvGLP_JeiTrwA4LhfknYUasehc2-LzTIUvINv4CU

@SA Masum

Monday, 25 March 2019

তোমার কি লজ্জা করেনা ?


আগেই সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম🙏
পোস্ট টি করার জন্য😿
এই পোষ্ট এ কিছু বাস্তব তুলে ধরলাম 😪
কেউ খারাপ চোখে দেখবেন না,, 😔
আসা করি সবাই পড়বেন,,😞

* আচ্ছা তোমার কি লজ্জা করেনা ?? 😦
তোমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে অবাধ মেলামেশা করো, 😯
বাসায় ফিরে সেই নষ্ট শরীর নিয়ে নিজের মা- বাবার সামনে দাঁড়াও😤
ঘন্টার পর ঘন্টা আবাসিক হোটেলে অথবা বন্ধুর বাসায় মেলামেশায় ব্যস্থ 😢
এবং কোন কারণে ব্রেকাপ হওয়ার পর অবশেষে অপরিচিত একজনের সাথে যখন সেজে গুজে
বিয়ের পিড়িতে বসো !! 😴
তখন একবারও কি লজ্জা লাগেনা, একবারও কি ভাবোনা, 😥
আমি কেন এত সাজুগুজু করছি,কি আছে আমার কাছে, আমি তো চরিত্রহীনা, 😣
আমি তো আমার স্বামীর হক নস্ট করে ফেলেছি,😰
আমি তো তাকে ঠকিয়ে ফেলতেছি !! 😟
একবারও কি মনে হয় না, কিসের এত আয়োজন ?😵
এই নস্ট শরীরটাকে লাল কাপড়ে পেচিয়ে, 😕
সোনার হার/ বালা/কানের দুল পরে এবং শরীরের উচুভূমিকে জোর করে সমতল ভূমি বানিয়ে 😑
বিয়ের আসর পার করে দিলেই কি তুমি নিজেকে সতী মেয়ে প্রমাণ করে ফেলছো !! . . 😨
জানি তখন তোমার বিবেকে নাড়া দিবে, তুমি চোখের জল ফেলবে এবং বলবে যে কেন আগে এসব করলাম l
হয়তো স্বামীর কাছে অস্বীকার করে পার পেয়ে যাবে😫
হয়তো তোমার স্বামী সব বুঝেও কিছু জিজ্ঞেস করবে না, 😰
কারণ স্বামী মেনে নিতে বাধ্য, 😖
কিন্তু সারাটিজীবন তো কলংকের দাগ থেকেই যাবে !! . .😼
তাইতো বলছি,নিজের সতীত্বের সম্মান দিতে শিখো 👌
সামান্য একটা বয়ফ্রেন্ডের
দু চারটা মিস্টি কথা শুনে
যে সব বিলিয়ে দিতে হবে
এমন তো নয় !! 🙏
নিজের মনকে শক্ত করো, আল্লাহ কে ভয় করো !! 😿
মেয়েদের জীবন বড়ই কঠিন সতীত্ব ঠিক রাখা সেই কঠিন জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ !!😓

আজকাল অনেক ছেলে
মেয়েদের মাঝে ভালোবাসা মানে সেক্স!!🙀

২/৩ মাসের সর্ম্পকের পরই নাকি
এটা প্রয়োজন হয়ে দাড়ায়!!
কিছু মাস বা ১/২ বছর পর
এমন এক পরিস্থিতি দাড়ায়,,
এক জিনিস কয়দিন ভালো লাগে???
নতুন স্বাদের আশায় ভিন্ন মানুষ!!😰

কিন্তু এটা চরম সত্য যে,,
৯৪% ছেলেই কোন স্বার্থ ছাড়া
শারীরিক সর্ম্পকের পর কোন
মেয়েকে তার ঘরের বউ হিসেবে
মেনে নিতে চায়না !!
( আমি একজন ছেলে হয়েও
সত্যি টা আজ উপস্থাপন করলাম।)😟

#মেয়েদের_বলছিঃ
আধুনিক যুগে মন দিয়েছো বুঝলাম,,
একবার ভেবে দেখো তোমাকে
বিয়ে করতে একটা ছেলের
চাকরি জোগাড়,
পরিবারকে রাজি করানো,
মোহরানা, বিয়ের খরচ ইত্যাদি
কত ঝামেলা আর টাকার ব্যাপার,,
এর পর সে তোমাকে পাবে,😕

এখন তুমি যদি তার আগেই
তাকে সব দিয়ে দাও
আর এত ঝামেলা করতে
কি তার মন চাইবে???
বিয়ে না করে ২টা মিষ্টি কথায়
সব হলে পাগলেও
বিয়ে করবে না তোমাকে!!😇
↓↓
★ হে বোন...!
নিজেকে সস্তা করো না!!
বোন,, তুমি নিজেও জানোনা যে,
তুমি তোমার মা-বাবার
কত দামী আর কত কষ্টের
অর্জিত মূল্যবান সম্পদ!!✌

#ছেলেদের_বলছিঃ
যে মেয়েটার ক্ষতি করছো,, !!
একবার ভাবো,
তোমার আদরের লক্ষী বোনটাকে
যে কিনা আজ আবদার ধরেছে
ভাইয়া আমার জন্য চটপটি আনিস,,
আর তুমিও তাকে
অনেক ভালোবাস!!👌

অনেক কষ্ট করে খুজে
একটি ভাল পাত্র জোগার করলে
তাকে সুখি দেখতে চাও!!
এখন সে এসে বললো ভাইয়া
নেটে আমার ভিডিও আসছে!!
★হে ভাই,, কেমন লাগবে
তোমার ভিতরটায়???
(( তাই বলি,
আসো সময় থাকতে সাবধান হই!!
আসো আমরা একটু ভাবি!!
আসো আমরাই শুরু করি,,
একদিন সমাজটাই পাল্টে যাবে!!))✌👌
জীবন কিন্তু একটাই
তাই সময় থাকতে আমরা সবাই
আল্লাহ কে ভয় করি।..
তাইতো বলিতেছি.
ভাবিয়া করিও কাজ,
করিয়া ভাবিওনা !!
{বিঃ দ্রঃ} লেখায় ভুল-ত্রুটি হলে মাফ করবেন)

ব্লগার- এস.এ মাসুম

Friday, 8 February 2019

"ভালো থেকো আমার ভালোবাসা, তোমার প্রেমিকদের নিয়ে।।"


"ভালো থেকো আমার ভালোবাসা, তোমার প্রেমিকদের নিয়ে।।"☺
-আত্মহত্যাকারী ডাঃ মোস্তফা মোরশেদ আকাশ

@লেখাটি তে কিছু খারাপ ভাষা ব্যবহার করার জন্য দুঃখিত।

একজন মানুষ কোন অবস্থার মধ্যে থাকলে এমন একটা কথা বলতে পারে, সব কিছু জানার পরও আত্মহত্যার মতো মহাপাপ কে বেছে নিতে পারে, সেটা আমরা তার জায়গা থেকে কখনো ভাবি না। হ্যা এটা ঠিক যে সবার উপরে জীবন সত্য, কিন্তু সেই জীবনে যখন জীবনের মতো করে বেঁচে থাকা না যায়, তখন আর জীবনের কোন মানে থাকে না। সেটা তার জায়গায় না থাকলে কেউ বুঝবে না। হয়তো সে চাইলে এটা রিপ্লেসমেন্ট করতে পারতো, নতুন সংসার সাজাতে পারতো কিন্ত তার ৭ বছরের এতো যত্নের ভালোবাসার কথা কেউ ভাবে না, কেউ ভাবে না হয়তো তার ভালোবাসাই তার বেচে থাকার স্বপ্ন ছিলো। কেউ ভাবে না হয়তো সে, ঐ মাগীর মতো করে অন্য কারো সাথে নিজেকে বা নিজের বিছানা অন্য কাউকে শেয়ার করার কথা ভাবতেও পারতো না। কিছু মানুষিক যন্ত্রণা আছে যা আমরা আত্মহত্যাকারীর জায়গা থেকে কখনো ভাবতে পারি না। আমরা পারি মুখ খুলে তাদের বকা দিতে, আর ঐসব মাগীদের বাহবা দিতে।🙏
এতকিছুর পরও চাদরের আড়ালে মুখ লুকিয়ে রাখা এই সুশীল সমাজ মিতুদের-ই সমর্থন দেয়। কারণ মাগীদের সাথে সুশীলদের একটা সম্পর্ক থাকে বটে।😡😡
ওপারে যাই হোক, অন্তত দুনিয়ার দোযখ থেকেতো মুক্তি পাইছিস ভাই এটাই ভাল।।
SA Masum FâRâBi